দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত মন্দিরা চক্রবর্তী

অনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে গেল ঈদে মুক্তি পেয়েছে দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী মন্দিরা চক্রবর্তী অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘কাজল রেখা’। দীর্ঘ প্রতীক্ষা বলার কারণ হলো, এর আগে বেশ কয়েকবার এই সিনেমা মুক্তির ঘোষণা আসে। কিন্তু বারবার মুক্তির তারিখ পিছিয়ে যায়। এবারের ঈদে ‘কাজল রেখা’ মুক্তি পাবার বিষয়ে নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন মন্দিরা। যে কারণে অবশেষে ‘কাজল রেখা’ মুক্তি পেল। গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘কাজল রেখা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মন্দিরা চক্রবর্তী।

সিনেমাটি দেশজুড়ে হলে হলে মুক্তি না পেলেও যে ক’টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে তাতেই মন্দিরা চক্রবর্তী তার অভিনয় দিয়ে এবং গ্লø্যামারাস উপস্থিতি দিয়ে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। মোট সাতটি সিনেমা হলে সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। এরইমধ্যে মন্দিরা নিজেও বেশ কয়েকবার হলে গিয়ে সিনেমাটি উপভোগ করেছেন। দর্শকের সঙ্গে কথা বলেছেন। মঙ্গলবারও বিকেল চারটা ত্রিশ মিনিটের শোতে তিনি রাজধানীর সীমান্ত সম্ভারে ‘কাজল রেখা’ সিনেমাটি উপভোগ করেন। যদিও বা গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘মনপুরা’ সিনেমার মতো ‘কাজল রেখা’ সিনেমার সেই জনপ্রিয়তা এখনো হয়ে উঠেনি।

আরও পড়ুনঃ   ২২ বছর বয়সে ব্যক্তিগত প্লেন কেনা কে এই অভিনেত্রী

কিন্তু দর্শক সিনেমা দেখে মন্দিরাতে মুগ্ধ হয়েছেন। তারা মন্দিরার অভিনয় এবং চরিত্রানুযায়ী মন্দিরার গ্ল্যামারাস, শৈল্পিক উপস্থিতির ভীষণ প্রশংসা করছেন।
মন্দিরা চক্রবর্তী দর্শকের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত, কখনো সরাসরি দর্শকের সঙ্গে কথা বলে, কখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। মূল কথা নিজের অভিনীত সিনেমা নিয়ে মন্দিরা চক্রবর্তী বেশ সন্তুষ্ট। মন্দিরা চক্রবর্তী বলেন, ‘কাজল রেখা’ আমার জীবনের বিশেষ সিনেমা এটি।

এই সিনেমাতেই নাম ভূমিকায় অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছি। এটা আমার জন্য অনেক বড় একটি বিষয় ছিল। সেলিম ভাইয়ের প্রতি আন্তরিকভাবে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার প্রত্যাশা ছিল যে সিনেমাটি দর্শকের কাছে ভালো লাগবে। বিশেষত আমার চরিত্রটি।

আরও পড়ুনঃ   ফের কলকাতার ছবিতে বাঁধন


দর্শক আমার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছেন, এটাই আমার প্রাপ্তি। আমি যে অনেক শ্রম দিয়েছি, কষ্ট করেছি-দর্শকের কাছ থেকে তার বিপরীতে যে ভালোবাসা, যে সম্মান আমি পেয়েছি, তাতে সত্যিই মুগ্ধ আমি। একজন নতুন হিসেবে আমাকে সবাই যেভাবে অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, সবার প্রতিই কৃতজ্ঞ আমি। সবার কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে-আপনারা হলে গিয়ে ‘কাজল রেখা’ উপভোগ করুন, ভালো লাগবে এই সিনেমার গল্প, গান, লোকেশন এবং শিল্পীদের অভিনয়। সত্যি, দর্শকের ভালোবাসার কাছে ঋণী হয়ে গেলাম।